কাউন্সিলর খোরশেদেকে বিতর্কিত করতেই কি ধর্ষন মামলা!!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা কালে আসীম সাহসী ভুমিকা রেখে দেশে যে কয়জন মানুষ আলোচনায় এসেছেন তাদের তালিকা করলে মাকসুদুল আলম খোরশেদের নাম নিঃসন্দেহে তালিকার প্রথম দিকে থাকবে। বিএনপির সক্রিয় রাজনীতির এই নেতা নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা এবং বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের এক জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি। কোন নির্বাচনে পরাজিত না হওয়া এই জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ধর্ষন মামলা এখন টক অব দ্যা সিটি। সিটি নির্বাচনের আগ মুহুর্তে খোরশেদের বিরুদ্ধে এই মামলাকে নারায়ণগঞ্জবাসী কিভাবে দেখছে তা জনার চেষ্টা করেছে নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনের অনুসন্ধানী টিম।

গত ২৩ শে আগস্ট নির্বাচন কমিশন থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সিটি নির্বাচনের ইঙ্গিত দেয়। তার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খোরশেদের স্ত্রী দাবি করা সায়েদা শিউলি খোরশেদের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ এনে নারায়ণগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা করে। এর আগে করা একই মহিলার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় খোরশেদ এখন অনেকটা লোক চক্ষুর আড়ালে।

খোরশেদের নির্বাচনী এলাকা ১৩ নং ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় সবার মুখেই খোরশেদের মামলার কথা। নির্বাচনের আগ মুহুর্তে খোরশেদের বিরুদ্ধে এই মামলাকে অনেকে দেখছেন নির্বাচনের মাঠ থেকে খোরশেদকে দূরে রাখার কুটকৌশল হিসেবে। আবুল ব্যাপারী (ছদ্মনাম) নামে একজন নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে বলেন, আমরা যদি যুক্তির খাতিরে ধরেই নিই মহিলাকে ধর্ষন করা হয়েছে এই মুহুর্তে মামলা করার কারন কি? আরো আগে না করে এখন কেন? এটা দিবালোকের মত স্পষ্ট যে খোরশেদকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে কিংবা রাজনৈতিকভাবে চাপে রাখতেই এই মামলা।

রাহাত খান (ছদ্মনাম) নামে এক স্কুল শিক্ষক নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে জানান, নির্বাচন নিয়ে নির্বাচনের ঘোষণার পর যখন নারায়ণগঞ্জের লোকেমুখে শুনা যাচ্ছিল এবার কাউন্সিলর খোরশেদ মেয়র নির্বাচনে প্রার্থীতা করলে তার স্ত্রী কাউন্সিলর নির্বাচন করবেন। মিডিয়াতে এসব প্রচার হবার পর ই এই মামলা হওয়ায় মামলার সত্যতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েই যায়।

মহানগর যুবদলের একজন শীর্ষ নেতা নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষ মনে করে নির্বাচনকে টার্গেট করেই কাউন্সিলর খোরশেদকে বিতর্কিত করতে এবং খোরশেদকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এই কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হবেন।

খোরশেদ নির্দোষ নাকি দোষী এটা প্রমান হবে আদালতে। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো কিছু দিন। কিন্তু খোরশেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এই ঘটনা যে নেতিবাচক প্রভাব রাখবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই ঘটনাটা খোরশেদ কিভাবে সামাল দেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin