কাঁচপুরে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড দখলের চেষ্টা, ককটেল বিস্ফোরণ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড দখলের চেষ্টা চালিয়েছে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবুর সন্ত্রাসীরা।

এ সময় ৪ জনকে কুপিয়ে আহত করেন তারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে। এ সময় প্রায় ৬টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে।

.জানা যায়, উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান লিটন ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ আড়াই বছর ধরে কাঁচপুর ব্রিজের পাশে এই স্ট্যান্ডটি ভাড়া দিয়ে রেখেছেন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবুর নজর পড়ে সম্প্রতি এই স্ট্যান্ডে।

এরপর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় স্থানীয় মনু মেম্বারের নেতৃত্বে তার ভাই মিজান, সহযোগী রেজাউল ওরফে রেজা, সুমন, বাপ্পী, নুরজ্জামান, জামান ও গুন্ডা মমিন ওরফে ওয়ার্কশপ মমিন (অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল) সহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল, রাম দাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে স্ট্যান্ড দখলের জন্য হামলা চালায়।

এ সময় ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং সঙ্গে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন তারা। পরে লিটন খানের লোক মারুফ, ওয়াসিম, পলাশ, ইকবালকে কোপায়। তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম খান লিটন বলেন, আমরা নিরীহ মানুষ। ওরা প্রভাব দেখিয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা করেছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করছি প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুল ইসলাম জানান, ককটেল বিস্ফোরণ কিংবা গুলির খবর আমার জানা নেই। সেখানে মারামারি ও গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে শুনেছি। এখনো থানায় কেউ কোনো অভিযোগ বা মামলা করেনি। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্রঃ নারায়ণগঞ্জ টাইমস

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin