করোনায় নারায়ণগঞ্জে জনপ্রিয়তা পেয়েছে অনলাইন ক্লাস

শেয়ার করুণ

গত ৮ মার্চ, বাংলাদেশে প্রথম করনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী ভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি অনিশ্চয়তায় পড়ে এইচ.এস.সি পরীক্ষা সহ নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারীভাবে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার কর্তৃক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়।

এই ব্যবস্থার আরো যুগোপযোগী করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম যথা: জুম (zoom), গুগল মিট (Google meet), গুগল ক্লাসরুম (google classroom), ফেসবুক-ম্যসেঞ্জার (Facebook-Messenger) ইত্যাদির সাহায্যে ক্লাস নিচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে খুব সহজে ক্লাস নিচ্ছে।

এতে স্বাচ্ছন্দে যেমন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারছে, পাশাপাশি অভিভাবকগণও খুশি। তাদের মতে, এই প্রক্রিয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীরা এতে করে কম্পিউটার চালনাসহ নানা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা শিখছে। এছাড়া তারা পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

সবচেয়ে বড় কথা হলো বাসায় থেকে ক্লাস করায় তারা করোনার ঝুঁকি থেকে অনেকটাই নিরাপদ থাকছে।শিক্ষকদের মতে, শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করার ফলে তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পারছে এবং প্রচুর পরিমাণে প্রেজেন্টেশন/এসাইনম্যান্ট করার ফলে যুগোপযোগী শিক্ষা লাভ করছে।শিক্ষার্থীরাও অত্যন্ত আনন্দের সাথে ক্লাস করছে।

তাদের মতে, অনলাইন শিক্ষা তাদের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রযুক্তিগত শিক্ষার দিকে ধাবিত করছে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে অনলাইন ক্লাসকে নিলেও তারা শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ইলেক্ট্রিক ডিভাইস নিয়ে যাতে শিক্ষার্থীরা বসে না থাকে সেই ব্যপারে সতর্ক থাকার জন্য শিক্ষার্থী এবং অবিভাবকদের প্রতি আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুণ