করোনায় কোলাহলশুন্য জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারনে বন্ধ রয়েছে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো। দেশের করোনা সংক্রমনের হার ক্রমশ ভয়াবহ আকারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ঈদুল আযহার আগে বন্ধ ঘোষনা করে বিনোদন কেন্দ্রগুলো। তারই ধারাবাহিকতায় বন্ধ রয়েছে প্রাচ্যের ড্যান্ডি খ্যাত, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের উর্বর ভূমি নারায়ণগঞ্জের বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

সরেজমিনে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। নগরীতে এমনিতেও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক-বিনোদন কেন্দ্র না থাকলেও যে কয়টি পার্ক রয়েছে তার সব গুলোই সরকারী বিধিনিষেধের জন্য বন্ধ। নগরীর অন্যতম প্রধান আকর্ষন শেখ রাসেল পার্কে গিয়ে দেখা যায়, পার্কে কোন পর্যটক নেই। অন্য সময় সরকারী ছুটি কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিকে যেখানে পা ফেলার অবকাশ থাকে না সেখানে আজ পিনপতন নীরবতা। পার্কের মুল ফটকে ঝুলছে বিশাল এক তালা তার সাথে ঝুলছে সরকারী নিষেধাজ্ঞা। অলস সময় পার করছে পার্কের নিরাপত্তা কর্মীরা। মানুষের অনুপস্থিতি আর বৃষ্টির ছোয়া পেয়ে প্রকৃতি যেন সেজেছে এক অপরূপ সাজে। গাছের পাতাগুলো আরো সজীব হয়েছে, লেকের পানি হয়েছে আরো স্বচ্ছ। ফুল গাছে এসেছে নতুন ফুল, গাছে গাছে পাখির ডাক জানান দিচ্ছে প্রকৃতির ঘুরে দাড়ানোর।

নগরীর রাসেল পার্ক

একই অবস্থা নগরীর উপকন্ঠে অবস্থিত পঞ্চবটির অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ডের। নেই মানুষের আনাগোনা। পার্ককে ঘিরে জমে উঠা খাবারের দোকান কিংবা ছোট ব্যবসায়ীদের দোকান গুলোও বন্ধ। যেন অচেনা এক নগরী। জেলার অন্যান্য পার্ক কিংবা বিনোদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থাও একই।

নবীগঞ্জ ঘাট

দীর্ঘদিন ধরে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় কেন্দ্রগুলো যেমন লোকসান গুনছে তেমনি জেলা বাসীও ভীড় করছে বিকল্প জায়গাগুলোতে। শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গার তীরে প্রতিদিন নামে হাযার মানুষের ঢল। প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে প্রতিদিনই মানুষ ভীড় করছেন নদীতীর সংলগ্ন ফূটওয়েগুলোতে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin