করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি মেলা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা নামক বৈশ্বিক মহামারীর কারণে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে ধমকে দাঁড়িয়েছে সেখানে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ নানান রকম সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করছে যা অবশ্যই অনেক মেধাবী, বঞ্চিত, দরিদ্র ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের জন্য অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ভর্তি মেলা সামার সেমিস্টার – ২০২১ আয়োজন করেছে । ভর্তি মেলা শুরু হবে ১লা মে থেকে যা চলবে ৩০ শে মে পর্যন্ত । মেলা উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহারসহ নানাবিধ সুযোগ । মেলায় রাফেল ড্র এর মাধ্যমে ল্যাপটপ উপহার দিয়ে করোনাকালীন সময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। এই বিশ্ববিদ্যালয় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের উপর শতভাগ পর্যন্ত ফি মওকুফ করছে। এই দেশের স্বাধীনতার জন্য যারা লড়াই করেছে সেই শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের দিচ্ছে ১০০% পর্যন্ত ছাড় এবং যারা ভাই-বোন ও স্বামী-স্ত্রী তাদের জন্য রয়েছে ২৫ % ছাড়।

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের স্লোগান হল “ স্বল্প খরচে মানসম্মত শিক্ষা” । তাই দেখা যায় অন্য যেকোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় এখানে সকল ক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যয় রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে যাতায়াতের জন্য রয়েছে ফ্রি পরিবহন ব্যবস্থা। এখানে আবাসিক হোস্টেলেরও সুবিধা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সকল সুযোগ-সুবিধা এখানে বিদ্যমান। দীর্ঘ দুই যুগের পথ পরিক্রমায় আজ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এক সুপ্রতিষ্ঠিত নাম। বিশাল সবুজ ঘেরা ক্যাম্পাস হাজারো তরুন-তরুনীর স্বপ্নবুনন আর স্বপ্ন পূরণের ঠিকানা।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের মধ্যে এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতেই প্রথম চালু করা হয় দূরশিক্ষণ পদ্ধতি। ক্যাম্পাস এবং দূরশিক্ষণ এই দ্বৈত শিক্ষা পদ্ধতি একই সাথে চালু রেখে এই বিশ্ববিদ্যালয় দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দিয়েছে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্লাস এবং বয়সের কোন বাধ্যবাধকতা না থাকার ফলে কর্মজীবী, গৃহবধূ ও নানা কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্বপ্নচারী শিক্ষার্থীরা সকলেই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে এবং তা সম্পন্ন করছে অত্যন্ত আনন্দ চিত্তে। এছাড়াও এশিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের রয়েছে ক্রেডিট ট্রান্সফারের বিশেষ সুযোগ।

যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শুধু শিক্ষা প্রদানই লক্ষ্য থাকে না। এর পাশাপাশি শিক্ষা-সাহিত্য, গবেষণা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও খেলাধুলা এগুলো চালানো হয়। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি এসব বিষয়ে সফলতার অনেক স্বাক্ষর রেখেছে দেশে এবং বিদেশে। এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কয়েক লক্ষাধিক বইয়ের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় পাঠাগার এবং বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বেশ উন্নত আর আধুনিক মানসম্মত কম্পিউটার ল্যাব। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের শিক্ষার্থীরাও জ্ঞান অর্জনের জন্য আসে । শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পেয়ে তারা নিজেদেরকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করছে। বর্তমানে ৫০ এরও অধিক বিদেশি শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়নরত রয়েছেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এমন বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা একশরও অধিক।

জাতির শিক্ষার হার উন্নতির মাধ্যমেই একটি জাতি অগ্রগতির ধারায় এগিয়ে যায়। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি জাতির এই অগ্রগতির হার ত্বরান্বিত করেছে শিক্ষা সুলভ ও সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে। এই করোনাকালীন সময়ে এই ভার্সিটি একদিনের জন্যও তার শিক্ষা কার্যক্রম থামিয়ে রাখেনি। এখানে অনলাইনে পাঠদান ব্যবস্থা, কোর্স ম্যাটিরিয়ালস সরবরাহ এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনো ব্যাঘাত না ঘটে। শুধু তাই নয় শিক্ষার্থীরা যাতে এই করনাকালীন সময়ে হতাশ না হয় তাই তাদের জন্য অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কো-কারিকুলাম কার্যক্রমেরও ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। যেমন ওয়েবিনার(অনলাইন সেমিনার), ওয়ার্কশপ, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাহিত্য আড্ডা এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সবশেষে বলতে পারি, একটি সবুজ সুবিশাল ক্যাম্পাস, একদল প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শিক্ষক মন্ডলী আর স্বল্প খরচে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ লাভ করে যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখছেন তাদের জন্যই এশিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

লেখক: আসমা আক্তার,সহকারী অধ্যাপক অর্থনীতি বিভাগ,এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin