কমিটি না দেওয়ায় বিয়ে করছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

রায়হান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মুজিব আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করেছি। এখন পরিবারের চাপে বিয়ে করলাম। খুব ইচ্ছা ছিল, উপজেলার মূল পদে এসে ছাত্রদের অধিকার আদায়ে কাজ করবো, কিন্তু তা আর হলো না। কেন হলো না, সে অভিমানের কথা বলে শেষ করা যাবে না।’

এর আগে গত ২২ মে বিয়ে করেন ইকবাল ফরহাদ নিলয় নামে উপজেলার আরেক সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী। তিনিও ছিলেন নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে। সে সময় তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মঈন উদ্দিন। ফেসবুকে মঈন লিখেছিলেন, ‘নিলয় তুই এভাবে না বলে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে বিদায় নিবি কখনও ভাবতে পারিনি। আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতি। তারপর না হয় বিয়ে করতি।’

এ বিষয়ে নিলয় বলেন, ‘দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছি। মৃত্যু অবধি হয়তো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বাঁচবো। কিন্তু সব যোগ্যতা থাকার পরও রক্ত, ঘাম দেওয়া রাজপথ ছাড়তে হলো। কারণ, আমাদেরও ভবিষ্যৎ আছে, পরিবার আছে।’

তিন বছর আগে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল মকবুল হোসাইন মিথুনকে সভাপতি করে ও ইব্রাহিম আজাদকে সাধারণ সম্পাদক করে চার সদস্য বিশিষ্ট উখিয়া উপজেলা ইউনিটের কমিটি অনুমোদন দেন তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিম। এক বছরের অনুমোদিত কমিটি তিন বছর পেরিয়ে গেলেও হয়নি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এ ছাড়া বিলুপ্ত কমিটির নেতৃবৃন্দ দায়িত্বে থাকাকালে কমিটি বাণিজ্য, ইয়াবা ব্যবসায় সংশ্লিষ্টতা, ছাত্রত্ব না থাকাসহ নানা কারণে বিতর্কিত হন।

এসব বিষয়ে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান বলেন, ‘শোকের মাস আগস্ট। ছাত্রলীগের রীতি অনুসারে এ মাসে কোনও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না। তবে, আগামী মাস থেকে ত্যাগী ও প্রকৃত ছাত্রলীগ কর্মীদের মূল্যায়ন করে উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ এবং জেলার অন্যান্য কমিটিসহ বেশ কিছু বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে জেলা ছাত্রলীগ। অচিরেই ত্যাগী ও প্রকৃত ছাত্রলীগ কর্মীদের মূল্যায়ন করে উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দেওয়া হবে।’

সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin