কঠোর লকডাউনে চিন্তিত হলেও হাল ছাড়েননি রিকশাচালক তমিজউদ্দিন

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

গত ১লা জুলাই থেকে চলমান লকডাউনে বন্ধ রয়েছে গনপরিবহন। পায়ে চালিত রিকশা বাদে সব কিছুই বন্ধ। ব্যাংক আর শিল্প-কল কারখানা বাদে সব প্রতিষ্ঠানই বন্ধ। অপরদিকে নগরীর আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের জন্য নগরবাসীর চলাচলও নিয়ন্ত্রিত।

তমিজউদ্দিন মিয়া পেশায় রিকশাচালক। কঠোর লকডাউনে আয় রোজগার নিয়ে মহাবিপাকে আছেন তিনি। রাস্তায় মানুষের আনাগোনা কমে যাওয়ায় ইনকাম কমে গেছে অনেক। দুপুরের তীব্র গরমে নগরীর দুই নং রেলগেটে কথা হয় তমিজউদ্দিনের সাথে। দেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে গেলেও জীবন জীবিকার জন্য বেড় হতে হয় তমিজউদ্দিনকে। অন্য দশ জন রিকশাচালকের মত নন তিনি। মুখে সব সময় মাস্ক পড়ে থাকেন। মাস্ক ছাড়া কোন যাত্রী তূলেন না রিকশায়।

স্ত্রী- সন্তানরা গ্রামে থাকে তমিজউদ্দিনের। আসন্ন ঈদুল আযহায় বাড়ীতে টাকা পাঠাতে হবে। এখন যে ইনকাম হয় তা দিয়ে নিজের খাবার খরচ তুলতেই কষ্ট হয়ে যায় তমিজউদ্দিনের। কিভাবে বড়িতে টাকা পাঠাবেন তা নিয়ে খুবই চিন্তিত হলেও আত্মবিশ্বাসী তিনি। ঈদের আগে সব কিছু ঠিক হলে আগের মতই ইনকাম হবে তার। নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে বাড়িতেও টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা হয়ে যাবে। গল্প করতে করতে একজন যাত্রী এলো চাষাড়ায় যাওয়ার জন্য। যাত্রী নিয়ে চাষাড়ার উদ্দেশ্য প্যাডেল মারছেন তমিজউদ্দিন মিয়া। চোখে মুখে হতাশা আর আত্মবিশ্বাসের এক অদ্ভুত ছাপ। আপাত গন্তব্য চাষাড়া হলেও তমিজউদ্দিনের মন যে পড়ে আছে গ্রামের বাড়িতে রেখে আসা পরিবারের কাছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin