এরদোগানের সাথে সউদী বাদশার ফোনালাপ, সম্পর্কোন্নয়নে ঐক্যমত্য

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সউদী আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। তুরস্কে অবস্থিত সউদী দূতাবাসে সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের পরে দুই নেতা এই প্রথম ফোনে কথা বললেন। মূলত সউদীতে শুরু হতে যাওয়া জি-২০ সম্মেলনকে কেন্দ্র করেই এরদোগানকে ফোন করেন বাদশা সালমান।

শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও বাদশাহ সালমান দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংলাপের পথ খোলা রাখতে সম্মত হয়েছেন।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দুই নেতা জি-২০ নেতাদের সম্মেলনের বিষয় নিয়েও কথা বলেন। এবারের জি-২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হচ্ছে সউদী আরব। শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই সম্মেলন বাদশাহ সালমানের সভাপতিত্বে বিশ্বের ১৯টি বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এতে অংশগ্রহণ করেছে। এদিকে সউদীর রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জি-২০টির কাঠামোর মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণের বিষয়ে এরদোগানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বাদশাহ সালমান।

তুরস্ক ও সউদী আরব দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম বিশ্বে আধিপত্য বিস্তারের জন্য প্রতিযোগিতা করেছে। তবে ২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলের সউদী কনস্যুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের পরে দুই সুন্নি-মুসলিম আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে উত্তেজনা তীব্রতর হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত হয় এবং এমবিএস হিসাবে পরিচিত ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের খ্যাতি ভাবমূর্তি সঙ্কটে পড়ে।

তুরস্কের কর্মকর্তাদের মতে, কনস্যুলেটের ভেতরে ১৫ সদস্যের সউদী স্কোয়াড খাশোগীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং তার লাশ দেহ টুকরো টুকরো করে গুম করা হয়। সে সময় এরদোগান বলেছিলেন যে, খাশোগিকে হত্যার আদেশটি সউদী সরকারের ‘সর্বোচ্চ পর্যায়’ থেকে এসেছে। তবে তিনি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে কখনও সরাসরি দোষারোপ করেননি। এছাড়া গত এক বছর ধরে তুর্কি পণ্য আমদানিতে সউদী আরবে অঘোষিত বয়কট চলছে। এছাড়াও বিভিন্ন ইস্যুতে মতভিন্নতার কারণে সউদী আরব ও তুরস্কের মধ্যেকার সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়েছে।

সূত্র: ডন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin