এবার জজ কোর্টে যাচ্ছে খোকার বিরুদ্ধে কায়সারের নালিশ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার বিরুদ্ধে একই আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাতের ৫০ কোটি টাকার মানহানীর নালিশ খারিজ করার পর এবার যাচ্ছে জেলা জজ আদালতে। প্রমানপত্রসহ বিচারকের কাছে নালিশটি পুনরায় জমা দেওয়ার কথা ভাবছে বাদী পক্ষ।

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাতের আইনজীবী জজ কোর্টের এডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘লিয়াকত হোসেন খোকার বিরুদ্ধে করা নালিশটি জজ কোর্টে উঠানোর কথা রয়েছে। তবে, এখনও তারিখ নির্ধারণ হয়নি।’

সম্প্রতি এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার একটি বক্তব্যকে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে কায়সার হাসনাতের পক্ষে সোনারগায়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে। সেই সাথে তারা ক্ষমা চাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়ে ছিলো এমপি খোকাকে। এমপি খোকার পক্ষ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে অবশেষে আদালতে গিয়ে ছিলেন সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত।

গত ৩০ ডিসেম্বর দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবীরের আদালতে বর্তমান সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানীর মামলার আবেদন করেন কায়সার হাসনাত। বিকালে আদালত অভিযোগটি ২০৩ ধারায় খারিজ করে দেন।

আদালতে দায়ের করা অভিযোগে কায়সার হাসনাত উল্লেখ করেন, ১৯৭০ সালে দাদা মরহুম সাজেদ আলী মোক্তার সাধারণ নির্বাচনে গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। চাচা মরহুম মোবারক হোসেন ১০৯৩ ও ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন। আর মা মৃত মমতাজ বেগম জীবদ্দশায় ছিলেন সোনারগা থানা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সোনারগাঁও ডিগ্রী কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি। তিনি নিজেও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন। এ অবস্থায় লিয়াকত হোসেন খোকার ‘মিথ্যা ও কুৎসামূলক বক্তব্যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক সুনামসহ প্রায় ৫০ কোটি টাকার সমমূল্যের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।’ যা দন্ডনীয় অপরাধ।

ব্যাপারটি নিয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা জানিয়ে ছিলেন, ‘যে হেতু উনারা আদালতে গিয়েছেন। তাই আইনী ভাবেই আমরা জবাব দিবো।’

এদিকে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘আমরা জজ কোটেও নালিশ করবো। সেখানে যদি ব্যর্থ হই, তাহলে প্রয়োজনে ন্যায্য বিচারের জন্য হাই কোটে যাবো। মিথ্যা ও কুৎসামূলক বক্তব্যের শেষ দেখে ছাড়বো। কারণ, আজ আমার পরিবারের সাথে করেছে, এবার ছেড়ে দিলে অন্য যে কারো সাথে করতে পারে।’

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin