এনায়েতনগরে নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে আসাদ চেয়ারম্যান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনার প্রকোপ কমে আসায় স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে নড়ে চড়ে বসেছে নির্বাচন কমিশন । সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরে হতে পারে ইউপি নির্বাচন।

সিটি কর্পোরেশনের ঠিক পাশে অবস্থিত হওয়ায় এবং বিসিক শিল্পনগরীর জন্য এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ সবসময়ই রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে সরকার দলীয় চেয়ারম্যান থাকলেও আসন্ন নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীকে পড়তে হতে পারে কঠিন চ্যালেঞ্জর মুখে।

ভোটের সময় ঘনিয়ে আসায় ভোট নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে নেমেছেন স্থানীয় ভোটাররা। বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান এবারও নির্বাচন করবেন এটা অনেকটা স্পষ্ট। সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটনও এবার নির্বাচন করবেন বলে জোর গুঞ্জন চলছে এনায়েতনগরের পাড়া-মহল্লায়, চায়ের টেবিলে।

আসন্ন নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নৌকা প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। আসাদ চেয়ারম্যানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন। তবে তিনি কোন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করবেন না বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকলে শেষ পর্যন্ত তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। সেক্ষেত্রে লিটনের নির্বাচন আটকে আছে কতগুলো শর্তের উপর। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে শান্তিপূর্ন অবস্থান নিশ্চিত হলেই কেবল তিনি নির্বাচন করবেন।

গত ২০১৬ সালের এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়েছিলেন তৎকালীন ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আসাদুজ্জামান। সেই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দৌড়ে মাসদাইরের মতিউর রহমান মতিকে টপকে নৌকার টিকেট পান তিনি।

তার সাথে পাল্লা দিয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করলেও অজ্ঞাত কারনে তৎকালীন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন শেষ মুহুর্তে সরে দাড়ান। শেষ পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থী আলমগীর হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়াত নাছির উদ্দিন চেয়ারম্যানের ছেলে অ্যাড.জাহিদ হাসান রুবেলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যেই জয়ী হন আসাদুজ্জামান।

নারায়ণগঞ্জের কিং মেকার খ্যাত মোহাম্মদ আলীর ভাতিজা হাবিবুর রহমান লিটন যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে থাকেন তাহলে আসাদ চেয়ারম্যানের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে বলে ধারণা নির্বাচক বিশ্লেষকদের।

প্রায় অর্ধডজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াই হবে সাবেক ও বর্তমান দুই চেয়ারম্যানের মাঝে। আর সেক্ষেত্রে গত বারের ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়ন নির্বাচনের মত অবস্থা হতে পারে এনায়েতনগরে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। তফসিল ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো সব নাটকীয়তার ইতি ঘটবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin