একটি ফেস্টুন নিয়ে চারদিকে আলোচনা!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমানের বেয়াই ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলুর একটি ফেস্টুন নিয়ে চারদিকে আলোচনা। ‘এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে লাভলুকে দেখতে চাই’ উল্লেখ করে সাটানো হয়েছে। এতে গুঞ্জন শুরু হয়েছে এনায়েতনগর ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচনে লাভলু প্রার্থী হলে কেউ প্রতিদ্বন্দ্বি হবেন না।

৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরে মাসদাইর কবরস্থানের মূল ফটকে একটি ফেসটুন সাটানো হয়েছে। ফেস্টুনে সাংসদ শামীম ওসমানের বেয়াই ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলুর বড় করে ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘‘আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এনায়েত নগর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলু ভাইকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চাই।’’ আরো লেখা আছে, প্রচারে এনায়েতনগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

এদিকে ফেস্টুনের ছবি তোলার সময় করবস্থানের পাশের দাড়িয়ে দুজন পথচারী ফেসটুন নিয়ে কথা বলছিল। এসময় একজন আরেকজনকে চিনিয়ে দেয় ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলু এমপি শামীম ওসমানের বেয়াই। এতে অপরজন বলে উঠে- তাহলে এনায়েতনগর ইউনিয়ন নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় পাশ করবেন। তার সাথে ভোটের লড়াইয়ে নামার সাহস কে করবে। কারণ যার বেয়াই এমপি শামীম ওসমান এই আসনের প্রভাবশালী এমপি, তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সাহস কেউ দেখাবেনা। আর কেউ যদি নির্বাচনে সাহস করে নেমেও যায় তাকে বাধ্য হয়ে বসে পড়তে হবে। তাই লাভলু চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, সাংসদ শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমানের সাথে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলুর মেয়ে ইরফানা আহমদ রাস্মী ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এতে করে শামীম ওসমান পরিবারের আত্মীয়তার সম্পর্কে জড়ান তিনি। যেকারণে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বেয়াই লাভলুর নির্বাচনের পথ সহজ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের বেয়াই জানার পর কেউ তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার স্পর্ধা করবেনা। তাছাড়া এই সাংসদের রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী। তার বলয়ের অনুগমীরা তার চেইন অফ কমান্ড মেনে সব সময় কাজ করেএখানে উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালে সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আসাদুজ্জামান ২৯ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বর্তমান চেয়ারম্যান ছাড়াও আসন্ন নির্বাচনে আরো বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন, পঞ্চবটি গফুর মার্কেটের মালিক হাজী মাসুদ ভূইয়া। এদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন গতবার নির্বাচন করা অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক আলমগীর। দল মনোনয়ন দিলেই তিনি প্রার্থী হবেন বলে জানাগেছে। থাকে। যেকারণে তার আসনের কোন নির্বাচন তার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারেনা।

এখানে উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালে সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আসাদুজ্জামান ২৯ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বর্তমান চেয়ারম্যান ছাড়াও আসন্ন নির্বাচনে আরো বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন, পঞ্চবটি গফুর মার্কেটের মালিক হাজী মাসুদ ভূইয়া। এদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন গতবার নির্বাচন করা অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক আলমগীর। দল মনোনয়ন দিলেই তিনি প্রার্থী হবেন বলে জানাগেছে।

তবে নিতাইগঞ্জের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার ফলে ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলু আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে মাঠে নামবেন বলে চাউর ছিল। যেকারণে ওই ওয়ার্ড থেকে ওসমান পরিবারের আরেক আস্থাভাজন হিসিবে পরিচিত মহানগর শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না মাইনাস হওয়ার গুঞ্জন উঠেছিল। তবে শেষতক এমপি বেয়াই লাভলু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্তে মুন্নার শিবিরে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফয়েজ উদ্দিন আহমদ লাভলুর মোবাইল ফোনে কথা হলে ফেস্টুনের বিষয়টি তিনি অবগত আছেন বলে স্বীকার করেন। পরক্ষণে ব্যস্ততার কথা বলে আধা ঘণ্টা পরে ফোন দিতে বলেন। পরবর্তীতে ফোন দিলে তার লোকজন ফোন রিসিভ করে ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে ফোন দেয়া সম্ভব হবেনা বলে জানায়।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin