ঋণের টাকায় বাইক কিনছি, রাইড না দিলে চলমু কিভাবে?

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া কোনো আরোহী বহন না করার অনুরোধ জানিয়েছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সীমিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে এ নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে মানতে দেখা যায়নি মোটরসাইকেলচালকদের। পুলিশের চেকপোস্টের সামনে দিয়েই মোটরসাইকেলে দুজন গেলেও কাউকে বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

অফিস খোলা রেখে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আজও অফিসগামী মানুষের দুর্ভোগ ছিল আগের মতোই। তবে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা, মোটরসাইকেল ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক জায়গায় রীতিমতো যানজট লেগে থেমে থেমে চলতে দেখা গেছে গাড়ি। নগরীতে গণপরিবহন না থাকায় অফিসগামী যাত্রীরা বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন বাহনে। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নির্দেশনা অনুযায়ী, এপ্রিল মাস থেকে বন্ধ রয়েছে রাইড শেয়ারিং সেবার মোটরসাইকেল। কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে অনেক রাইড শেয়ারিং সেবার ট্রিপ নিচ্ছে বেশির ভাগ মোটরসাইকেলচালক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাইড শেয়ারিং অ্যাপস বন্ধ থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তা বন্ধ নেই। যাত্রীরা চাইলে অ্যাপস ব্যবহার করে রাইড শেয়ারিং সেবা নিতে পারছেন।

নির্দেশনা অমান্য করে রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলচালক আবির হাসান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি নারায়াণগঞ্জ বুলেটিনকে বলেন, লোন করে মোটরসাইকেল কিনেছি। ঋণের টাকা এখনো পরিশোধ করতে পারিনি। যদি রাইডে না যাই তাহলে ইনকাম হবে না। আর ইনকাম না হলে এই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারব না। তাই বাধ্য হয়েই নির্দেশনা অমান্য করে মোটরসাইকেলে যাত্রী নিচ্ছি।’ 

দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। বর্তমানে সারা দেশে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin