ইসলামে প্রতিবেশীর হক সর্ম্পকে কি বলে?

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সমাজবদ্ধ পৃথিবীতে মানুষের জীবনযাত্রায় প্রতিবেশীর গুরুত্ব অপরিসীম। দুঃখ কষ্ট আনন্দ বেদনায় এ প্রতিবেশীই মানুষের নিত্যসঙ্গী। গ্রামীণ জীবনে প্রতিবেশীর প্রতি আমাদের ভালোবাসা সহমর্মিতা তুলনামূলক বজায় থাকলেও ইট-পাথরের শহরে তা অনেকটাই হতাশাজনক। ইসলাম প্রতিবেশীর হক ও অধিকারকে পিতামাতা ও আত্মীয়-স্বজনের অধিকারের পাশেই স্থান দিয়েছে।

নির্দেশ দিয়েছে তাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহারের

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো। কোনো কিছুকে তার সঙ্গে শরিক কোরো না এবং পিতামাতা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট-প্রতিবেশী, দূর-প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, মুসাফির ও তোমাদের দাস-দাসীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার কর। নিশ্চয় আল্লাহ দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। (সুরা নিসা, আয়াত : ৩৬)

হাদিসে প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান ও সদাচরণকে ঈমানের অনুষঙ্গ সাব্যস্ত করা হয়েছে। হজরত আবু শুরাইহ (রা.) বলেন, ‘আমার দুই কান শ্রবণ করেছে, আমার দুই চক্ষু প্রত্যক্ষ করেছে যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে এবং আখেরাতে বিশ্বাস রাখে সে যেন স্বীয় প্রতিবেশীকে সম্মান করে। ’ (বুখারি, হাদিস : ৬০১৮)

অন্যত্র বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ করে। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৫)

একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৩)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin