ইতিহাস ঐতিহ্যের শত বছর পুরনো সোনাকান্দা হাট !!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত সোনাকান্দা গ্রাম। শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বপারে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ডকইয়ার্ড এর পাশেই সোনাকান্দা গ্রামে প্রতি বৃহস্পতিবার ভোরে বসে এই হাট।

প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এই হাটে চাল,ডাল,তেল থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিসপত্র পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় হয়। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন থেকে ইজারাকৃত এই হাটে প্রতি সপ্তাহে ১০-১৫ হাজার লোকের সমাগম ঘটে।

হাটের পশ্চিম পারে নদীর তীরে বসে বাঁশের হাট। বরাক,মাকাল,মুলিবাঁশের বেড়া,মাচা,পাটি, ঝাড়ু সহ বিভিন্ন কারুশিল্প বিক্রি করা হয় এই পাশে। উত্তর পাশে রাস্তায় বসে কবুতর, মুরগী, হাসের পাইকারী ও খুচরা বাজার। নানাণ জাতের দেশী বিদেশী কবুতর,হাস-মুরগীর বাচ্চা সহ বিক্রি হয় এই পাসে।

ছবিঃ নাফিজ ইমতিয়াজ

দক্ষিণ দিকে বসে কাচাঁমালের দোকান, মসলা আর শুটকির দোকান। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রকারের মসলা,নানান জাতীয় শুটকি এবং আলু,পিয়াজ,আদা,রসুন সহ যাবতীয় সবজি পাওয়া যায় এই পাশে।

পূর্বপাশে স্টেশনারি, কসমেটিকস, বাদাম,বুট,চানাচুর, সন্দেস,চিড়ার মোয়া,মুড়ির মোয়া, মিঠাই,বিভিন্ন প্রকার দেশিয় ফল এবং কোমল পানীয় পাওয়া যায়।

ছবিঃ নাফিজ ইমতিয়াজ

সর্বউত্তরে মসজিদ, এর পাসে বসে তালাচাবি, ছাতা মেরামত, গামছা এবং বিভিন্ন কাপড়ের দোকান। বাচ্চা থেকে বয়স্কদের যাবতীয় কাপড় এখানে বিক্রি হয়। আর হাটে প্রবেশের রাস্তায় পাবেন দই,মিস্টি,ভাজি,তালের পিঠা,পরোটা সহ নানান জাতের দেশীয় সরবত। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হৈচৈ আর দরকষাকষিতে ব্যস্ত থাকে এই বাজার।

ছবিঃ নাফিজ ইমতিয়াজ

পূর্বে কুমিল্লা, চাঁদপুর, মুন্সিগঞ্জের ব্যবসায়ীদের অন্যতম প্রধান পাণকেন্দ্র ছিল এই হাট,কিন্তু কালের বিবর্তনে আর জমি ভরাট করে পার্ক নির্মাণ করাতে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী এই হাট।

সিটি কর্পোরেশনের আওতায় পার্ক নির্মাণের জন্য হাটের জমির প্রায় অর্ধেক অধিগ্রহণের ফলে ৫০০ বছরের পুরনো হাটটি এখন মৃতপ্রায়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin