ইট’স গন টু রোম, ৫৩ বছর পর ইউরোর চ্যাপিয়ন ইতালি

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বৃথাই গেল ওয়েম্বলির ৬০ হাজার মানুষের প্রার্থনা। আরো একবার ব্যর্থ মনোরথে ফিরলো ইংলিশরা। ইউরোর শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকে হারালো আজ্জুরিরা। ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত মানিচিনি শিষ্যরা।

দলে একটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে স্পেনকে হারানো দলের ওপরই ভরসা রাখেন ইতালি কোচ রবার্তো মানচিনি। ম্যাচ শুরু হওয়ার পর কিছু বুঝে ওঠার আগেই লিড পেয়ে যায় ইংল্যান্ড।কাইরেন ট্রিপিয়ারের অ্যাসিস্টে ইউরোর ফাইনালের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলা লুক শো। ইতালি প্রথম সুযোগ পায় ৮ মিনিটের মাথায়। কিন্তু ডিবক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট চলে যায় বারের বাইরে।এরপরও ইনসিনিয়ে-কিয়েসারা চেষ্টা করেছেন কিন্তু সমতায় ফেরাতে পারেননি দলকে। ৩৫ মিনিটে আবারো লুক শ আক্রমণে। এবার অল্পের জন্য গোল মিস করে মেসন মাউন্ট।বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের গতি বাড়ায় ইংল্যান্ড। অন্যদিকে কৌশল বদলে রক্ষণ খোলসে ঢুকে যায় ইংল্যান্ড। কিন্তু ইতালির হাই প্রেস ফুটবলের সামনে দিশেহারা হয়ে পরে ট্রিপিয়ার, ফিলিপসরা। একের পর এক আক্রমণে তটস্থ হয়ে যায় পিকফোর্ড।

এই সুযোগেই নিজেদের ডেডলক ভাঙে ইতালি। ৬৭ মিনিটে স্কোর করেন লিওনার্দো বোনুচ্চি। কর্ণার থেকে পাওয়া বল ঠান্ডা মাথায় প্লেস করেন আজ্জুরিদের রক্ষণ সেনানী। আনন্দে ফেটে পরে নীল শিবির।অতিরিক্ত সময়ে এসে এবার নিজেদের কৌশলে ঘষামাজা করে নেয় ইতালিয়ানরা। বল পায়ে রেখে অতিরিক্ত আক্রমণের নীতি থেকে সরে আসে মানচিনি বাহিনী। প্রথাগত রক্ষণাত্মক কৌশল এবার আজ্জুরিদের ঢাল।অভিজ্ঞতার কাছে মার খেতে থাকে থ্রি লায়নরা। আক্রমণে গেলেও বার বার হোঁচট খেতে থাকে তারা কিয়েল্লিনি-বোনুচ্চি বাঁধায়। ফলাফল, টাইব্রেকে গড়ালো ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।টাইব্রেকারে প্রথম শট নেন ইতালির বেরার্দি।

পিকফোর্ডকে বোকা বানাতে খুব একটা সমস্যা হয়নি তার। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে গড়ানো শটে এগিয়ে যায় আজ্জুরিরা। ইংলিশরা দায়িত্বটা তুলে দেন হ্যারি কেইনকে। একই জায়গা দিয়ে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।ইতালির দ্বিতীয় শট নেন বেলোত্তি। এবার আর পিকফোর্ড হতাশ করেন নি ওয়েম্বলিকে। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পরে আটকে দেন বেলোত্তির শট। ইতালি ভুল করলেও, ভুল করেন নি ম্যাগুয়ের। দুরন্ত শটে এগিয়ে দেন দলকে।তৃতীয় শট নেন ইতালির বোনুচ্চি। ঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও আটকাতে পারেননি পিকফোর্ড। কিন্তু, দলের এগিয়ে থাকা সহ্য হয়নি মার্কাস রাশফোর্ডের। অবাক করা শটে পোষ্টে লাগান এই ফরোয়ার্ড।চতুর্থ শটে ইতালিয়ানদের আবারো এগিয়ে দেন বার্নার্ডোস্কি। আর রাশফোর্ডের পর ইংল্যান্ডকে হতাশা ডোবায় সানচো। কিন্তু শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটাকে আরো উত্তপ্ত করে তোলেন জর্জিনহো। পিকফোর্ড আবারো বাঁচিয়ে দেন ইংল্যান্ডকে।কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পারেনি ইংল্যান্ড। শাকার শট আটকে নায়ক ডোনারুম্মা। ফুটবল গোয়িং টু রোম।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin