আলদীর মাঠায় নেই আগের স্বাদ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আলদীর মাঠা। নারায়ণগঞ্জের উঠতি বয়সের তরুনদের কাছে এক জনপ্রিয় খাবার। প্রতিবার শীতেই এই মাঠার স্বাদ নেয়ার জন্য দলবেধে মুন্সীগঞ্জের আলদী যায় মানুষ। যার অধিকাংশই নারায়ণগঞ্জের উঠতি বয়সের তরুনরা।

গত দুই-তিন বছরে এই মাঠার সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে নারায়ণগঞ্জের অলিতে গলিতে। শীত শুরু হবার সাথে সাথে আবারও জমে উঠতে শুরু করেছে আলদীর মাঠার বাজার।

প্রতিদিনই অগনিত তরুন দলবেধে ভোরের কুয়াশা উপেক্ষা করে আলদী যায় মাঠার স্বাদ নিতে। তাদের মধ্যে এমনই একজন তোলরাম কলেজের অনার্স ২ য় বর্ষের শিক্ষার্থী
আদনান। মাঠা নিয়ে কথা হলো আদনানের সাথে। আদনান জানায়, গত দুই বছর ধরে প্রায়ই মাঠা খেতে আসেন তিনি। সুযোগ পেলেই বন্ধুদের নিয়ে বাইক যোগে চলে আসেন মাঠা খেতে। তার ভাষ্যমতে, প্রথমদিকে মাঠার স্বাদ এবং গুনগত মান দুটোই ভাল ছিল। দামও ছিল মানুষের নাগালের ভিতর।

গত বছরও প্রতিগ্লাস মাঠার দাম ছিল ১০ টাকা, যা বর্তমানে ৩০ টাকা। জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে মাঠার দামই বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা, গুনগত মানের দিকে তাদের নজর নেই।

আদনান আরও জানান, প্রথমদিকে অনেকটা আন্তরিকতার সাথেই মাঠা বিক্রি করতেন ব্যবসায়ীরা৷ কাস্টমারদের সাথেও হাসিমুখে কথা বলতেন। ব্যবসা বেড়ে যাওয়ায় অনেকটা যাচ্ছেতাই ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীদের সাথে।

আদনানের সাথে কথা বলতে বলতে আরও এক তরুন যোগ দেয়। তার অভিযোগ ফেসবুকে যে রিভিউ দেখে এসেছেন, মাঠা খেয়ে তিনি আশাহত। দামের তুলনায় মাঠার স্বাদ যথেষ্টই বাজে মনে হয়েছে তার।

ব্যবসায়ী মামুন আলম মাঠা খাওয়ানোর জন্য নিজের ছেলে মেয়েকে নিয়ে এসেছেন আলদী বাজার, অপরিচ্ছন্ন নোংরা পরিবেশে খাবার পরিবেশন, খালি হাতে মাঠা ও ছানা পরিবেশন, মাঠার পাত্রে মাছি, ধুলোবালি দেখে বাচ্চাদের মাঠা না খাইয়েই ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin