আনসাররা বিদ্রোহ করলে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বিদ্রোহ ও বিদ্রোহের প্ররোচনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২২’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই খসড়া আইন অনুযায়ী আনসার ব্যাটালিয়নদের অভ্যন্তরীণ অপরাধের বিচার হবে দুটি আদালতে।

এর মধ্যে একটি হবে ‘সংক্ষিপ্ত আনসার ব্যাটালিয়ন আদালত’ এবং আরেকটি হবে ‘বিশেষ আনসার ব্যাটালিয়ন আদালত’। এর মধ্যে বিদ্রোহ সংঘটন ও প্ররোচনা দেওয়া ইত্যাদি বড় অপরাধের বিচার হবে বিশেষ আনসার আদালতে। এই ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর সর্বনিম্ন সাজা হবে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ সশরীর মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়।বৈঠক শেষে বিকে‌লে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, খসড়া আইন অনুযায়ী ব্যাটালিয়নের কোনো সদস্য কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো আনসার সদস্য ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা কোনো সংবাদপত্র বা কোথাও কোনো তথ্য প্রকাশ করা বা এরসঙ্গে জড়িত থাকতে পারবেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের মতো তাদেরও শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী লঘু ও গুরুদণ্ড থাকবে। বিভাগীয় মামলায় আরোপিত গুরুদণ্ডের প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিবের কাছে ও লঘুদণ্ডের বিরুদ্ধে মহাপরিচালকের কাছে আপিল করা যাবে।’

বর্তমানে কোনো আনসার ব্যাটালিয়ন আদালত নেই জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ডিসিপ্লিনারি (অসদাচরণ) বিষয়ের জন্য আমাদের যেমন রুল আছে, তাদেরও থাকবে। ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং হবে। বাহিনীর অস্ত্র, গোলাবারুদ, পোশাক, যন্ত্রাংশ ও যানবাহনের অংশ ইত্যাদি পরিকল্পিতভাবে বিনষ্ট করা ও এ সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সংক্ষিপ্ত ব্যাটালিয়ন আদালতে সর্বোচ্চ তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও আর্থিক ক্ষতির ক্ষেত্রে সমপরিমাণ অর্থ অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে। অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। এটা হলো সাধারণ অপরাধের ক্ষেত্রে- চুরি বা কিছু নষ্ট করলো সেক্ষেত্রে।’

তিনি আরও জানান, যদি অপরাধ শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, বিদ্রোহের চেষ্টা করেন বা প্ররোচনা দেন বা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন। এ জাতীয় হলে সেক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা কমপক্ষে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হবে।

বিশেষ আনসার আদালতে এই বিচার হবে। আনসার ব্যাটালিয়ন আদালত যে রায় দেবেন সেই বিষয়ে আনসার ব্যাটালিয়ন আপিল ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আপিল করা যাবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin