আদালতের কাঠগড়ায় কায়সার-খোকা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

এক জন সাবেক সংসদ সদস্য, অন্যজন বর্তমান। নানা সময় একে অপরের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে রাজনীতির মাঠ উতপ্ত করে রাখতেন। সেই বক্তব্য এখন রাজনীতির মাঠ থেকে দু’জনকে নিয়ে দাঁড় করিয়েছে আদালতের কাঠগড়ায়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবীরের আদালতে বর্তমান সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানীর মামলার আবেদন করেন।

আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে পরবর্তীতে আদেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।সম্প্রতি এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার একটি বক্তব্যকে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে কায়সার হাসনাতের পক্ষে সোনারগায়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে। সেই সাথে তারা ক্ষমা চাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়ে ছিলো এমপি খোকাকে। এমপি খোকার পক্ষ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে অবশেষে আদালতে গেলেন সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত।

আদালতে দায়ের করা অভিযোগে কায়সার হাসনাত উল্লেখ করেন, ১৯৭০ সালে দাদা মরহুম সাজেদ আলী মোক্তার সাধারণ নির্বাচনে গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। চাচা মরহুম মোবারক হোসেন ১০৯৩ ও ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন। আর মা মৃত মমতাজ বেগম জীবদ্দশায় ছিলেন সোনারগা থানা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সোনারগাঁও ডিগ্রী কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি। তিনি নিজেও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন। এ অবস্থায় লিয়াকত হোসেন খোকার ‘মিথ্যা ও কুৎসামূলক বক্তব্যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক সুনামসহ প্রায় ৫০ কোটি টাকার সমমূল্যের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।’ যা দন্ডবিধির ৫০০ ধারায় দন্ডনীয় অপরাধ।

এ ব্যাপারে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত বলেন, বর্তমানে জাতীয় পার্টির এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা ডিসেম্বর মাসের ২৬ তারিখ (শনিবার) একটি যে বক্তব্য দিয়েছেন, এটি ব্যক্তিগত ভাবে নয়, আমি মনে করি উনি আওয়ামী লীগের পরিবারকে ছোট করেছেন। ওই বক্তব্যে আমার ও আওয়ামী লীগের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য করেছেন। আওয়ামী লীগের আদর্শের নেতাকর্মীদের আঘাতের জন্য এই বক্তব্য দিয়েছে। তাই আজকে নারায়ণগঞ্জ কোর্টে এসে মানহানির অভিযোগ এনে মামলার আর্জি দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আজকে আমরা বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত ‘গ অঞ্চলে’ মামলা করেছি। মামলায় আদালত রেকর্ড রেখেছে, রেকর্ড পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দিবেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin