আতংক নয়, ভোট হোক উৎসবের

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আসছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রার্থীরা। ভোটাররাও শেষ মুহুর্তে হিসাবে ব্যস্ত কাকে দিবেন ভোট। কাকে বানাবেন আগামী দিনের তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি।

স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন হওয়ায় এসব নির্বাচন নিয়ে সাধারণ ভোটারদের উৎসাহ উদ্দীপনা কম নেই। শেষ মুহুর্তে প্রার্থীদের প্রচারণা, মিছিল আর নির্বাচনী গান মনে করিয়ে দেয় আবহমান বাংলার চিরচেনা ভোটের চিত্র। সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়েছে নির্বাচনের ধরনের। আগে স্বতন্ত্রভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচনের বিধান থাকলেও এখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। মেম্বার কিংবা মহিলা মেম্বার নির্বাচনেও এখন দলীয় প্রভাব বিদ্যমান। দলীয় প্রভাবের কারনে যেমন কমেছে নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা তেমনি বাড়ছে হানাহানির ঘটনা।

নির্বাচনের আগে এখনো একদল মানুষ অহেতুক গুজব ছড়িয়ে নির্বাচনী মাঠ গরম করতে চায়। ছড়িয়ে দেয় উত্তেজনা। নির্বাচনের দিন সেই উত্তেজনা কোন কোন সময় রূপ নেয় সংঘর্ষে। সেই সংঘর্ষে প্রান যায় সদ্য বিয়ে করা তরুনের, নব বধু বিধবা হয় হাতের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই। নতুন স্বপ্ন নিয়ে দিন শুরু করা তরুন ভোটার কিংবা পরিবারের উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যপক তৎপরতার পরও থামছেনা হানাহানি। স্থানীয় নির্বাচনের ১ম ধাপের নির্বাচনেও দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রান গেছে ক য়েক জনের। বুক খালি হয়েছে অসংখ্য মায়ের। নোংরা রাজনীতির বলি হয়েছে সাধারণ ভোটাররা।

আসন্ন নির্বাচনকে শান্তিপূর্নভাবে সম্পন্ন করার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ব্যপক উদ্যোগ নিয়েছে। পুলিশের উদ্যোগ কতটা বাস্তবায়িত হবে সময়ই সেটা বলে দিবে। ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা যাক দলবেধে, উৎসবমুখর পরিবেশে হোক ভোট। বজায় থাকুক পারস্পরিক শ্রদ্ধা,ভালোবাসা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin