আড়াই বছর পরে পরিকল্পিত গায়েবী মামলা : খোরশেদ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জে হকার ইস্যুর প্রায় আড়াই বছরেরও বেশি সময় পরে যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলাম খানের মামলার আবেদনে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে আদেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে ২০২১ সালের ২২ মার্চ।

২১ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগের দিন ২০ ডিসেম্বর রোববার নিয়াজুল ইসলাম একই আদালতে মামলার আবেদন করেন। মামলার আর্জিতে নিয়াজুলকে মারধর, ২ লাখ টাকা ও ১ ভরি স্বর্ণ লুটের অভিযোগ আনা হয়।

আর এই মামলার বিবাদীদের তালিকায় ২ নাম্বারে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ যিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সাথে করোনা পরিস্থিতি চলাকালিন সময়ে করোনা হিরো হিসেবে খ্যাত হয়েছেন।

মামলা প্রসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এদিন ১৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় এসেছিলেন। যেহেতু আমি ১৩ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। সে হিসেবে আমি সেদিন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সাথে ছিলাম। কিন্তু তিন বছর এই মামলা দায়েরের কারণ বুঝতে পারলাম না।

তিনি আরও বলেন, যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মামলা সেই ঘটনা তিন বছর আগের। তাছাড়া যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানেও আমি ছিলাম না। এটা পরিকল্পিত মামলা। বিএনপির নেতাকর্মীদের হেনেস্তা করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে। এটা গায়েবী মামলা। আমি আইনগত লড়াই চালিয়ে যাবো।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারী হকার উচ্ছেদ নিয়ে শহরে হকারদের সঙ্গে মেয়র আইভী সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেদিন প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও তাঁর সমর্থকদের দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন নিয়াজুল। সে সময় আইভী নিয়াজুল সহ আহত হয় অর্ধশত। সংঘর্ষের সময়ে চাষাঢ়ায় সায়াম প্লাজার সামনে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধর করা হয় নিয়াজুলকে। এসমত খোয়া যায় নিয়াজুলের লাইসেন্স করা অস্ত্র। পরে সেটা উদ্ধারও হয় পরিত্যাক্ত অবস্থায়।

এ অবস্থায় আদালতে মামলার আবেদন করেন নিয়াজুল। নিয়াজুলের সেই লিখিত অভিযোগে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছিল, বিবাদীরা নিয়াজুলকে মারধর করে তার সঙ্গে থাকা ইতালীর তৈরি পয়েন্ট ৩২ বোরের পিস্তল যার বোর নং এফ -৩৩৬২২ ছিনিয়ে নেয়। এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, নগদ ২ লাখ টাকা। বাঁচতে চাইলে সুফিয়ান, উজ্জল, বাবু ও মিমন হত্যার উদ্দেশ্যে পেটায়।

আর ওই ঘটনার পরদিন ১৭ জানুয়ারি মেয়র আইভীর ভাই ও সমর্থকসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অস্ত্র ছিনতাই ও হত্যাচেষ্টার লিখিত অভিযোগ দেন যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলাম। যার হাতে অস্ত্রসহ ছবি প্রকাশ হয় গণমাধ্যমে। তবে ওই অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। পুলিশ সেটা জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin