আইভীর আয়ের উৎস সম্মানী, তৈমুরের আইনপেশা-বাড়িভাড়া

শেয়ার করুণ

আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হলফনামায় আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী আয়ের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন মেয়র হিসেবে প্রাপ্ত সম্মানী আর স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম উল্লেখ করেছেন আইনপেশা, সঞ্চয়পত্র ও বাড়ীভাড়াকে।

হলফনামা অনুযায়ী আইভীর বাড়ি, গাড়ি, জমি না থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক তৈমূর আলম খন্দকারের রাজউকের পাঁচ কাঠার প্লট ও একটি নির্মাণাধীন বাড়ি রয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী সেলিনা হায়াৎ আইভী চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রিধারী, পেশায় তিনি চিকিৎসক। তবে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বছরে ১৯ লাখ ৩৮ হাজার সম্মানি ছাড়া তার এখন কোনো আয়ের উৎস নেই। আইভীর কাছে বর্তমানে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকা আছে। আর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নামে জমা আছে ২৩ লাখ ৮২ হাজার ৯০৫ টাকা। স্বর্ণ ও অলঙ্কার আছে ৩০ হাজার টাকা মূল্যের। এ ছাড়া তার আর কোনো সম্পদ নেই। কোনো ব্যাংক ঋণ নেই, নেই কোনো মামলাও।

হলফনামার তথ্যানুযায়ী তৈমূর আলম খন্দকার পেশায় আইনজীবী। তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বার্ষিক আয় ৮ লাখ ১ হাজার ৬৪১ টাকা। তিনি বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা থেকে বছরে ভাড়া পান ৫ লাখ ৭৪ হাজার ১৪১ টাকা। এ ছাড়া শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে আয় ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং আইন পেশা থেকে পান ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

তার নগদ অর্থের পরিমাণ ৫ লাখ টাকা। স্ত্রীর আছে ২ লাখ টাকা। এ ছাড়া রাজউক থেকে পাওয়া ৫ কাঠার প্লট ও ২৭৬ বর্গমিটার আয়তনের একটি বাড়ি নির্মাণাধীন আছে।

যৌথ মালিকানায় থাকা ২০০ শতাংশ কৃষি জমি আছে তার। অকৃষি জমির পরিমাণ ৩০ শতাংশ। কোনো ব্যাংকে লোন বা দায় নেই তার।

এছাড়া বিএনপি এ নেতার বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে ১০টি। তার মধ্যে পাঁচটি বিচারাধীন, তিনটি উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত ও দুটি চার্জ শুনানির পর্যায়ে আছে। সব মামলা নারায়ণগঞ্জে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুণ