আইভি মসজিদে বিদআতী ঈমাম ঢুকিয়েছেঃ আব্দুল আউয়াল

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল কাদির বলেন, ডিআইটি মসজিদের খতিব আউয়াল সাহেব কিভাবে একটি মানুষের কবর রচনা করতে পারে। তিনি একজন মাওলানা। একজন মাওলানা হয়ে ইসলামের বাইরে কিভাবে মানুষকে হত্যা করার বক্তব্য দিতে পারে। তিনি ইসলাম থেকে অনেক দূরে সরে গেছেন। তিনি একটি পরিবারের সাথে যে পরিবারটি নারায়ণগঞ্জকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে তাদের টাকা খেয়ে তাদের সাথে আঁতাত করে এসব কথা বলছেন। তিনি আগাগোড়া ওই পরিবারের সম্পর্ক রাখেন। তাকে সতর্ক হতে হবে। অন্যথায় তাকে নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে জবাব দিতে হবে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাদির বলেন, আব্দুল আউয়াল ইসলামের বিকৃত করে লক্ষ লক্ষ টাকা মানুষের কাছ থেকে নিয়ে নানা রকম বক্তব্য দেয়। তিনি মুন্সিগঞ্জের এক আড়তদারের আলু বিক্রি করে নারায়ণগঞ্জে এসে ডিআইটি মসজিদের পিছনে নামাজ পড়াতেন। তিনি এখন নেতা হয়েছেন। সেই নেতা এখন নারায়ণগঞ্জবাসীর টাকা নিয়ে বড় বড় বক্তৃতা দেন। তিনি গরীব মানুষের দাওয়াত খান না তিনি। বড় লোকদের সঙ্গ দিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক সে। এই টাকার হিসাব দিতে হবে কোথা থেকে তিনি টাকা পেলেন।

তিনি আরও বলেন, আব্দুল আউয়াল মসজিদের ভিতরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। যে বক্তব্য নিয়ে অনেকেই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিন্তু একটি পরিবারই তাকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন। আইনের মাধ্যমে উচিত বিচার করতে হবে। তিনি ধর্মকে ব্যবসা হিসেবে নিয়ে কোটি কোটি উপার্জন করেছে। তার বিরুদ্ধে দুদকের মাধমে তদন্ত করার দরকার।

প্রসঙ্গত, গত ৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুমআর নামাজের খুতবার বয়ানে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর ও ডিআইটি রেলওয়ে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল আউয়াল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে উদ্দেশ্য করে বেশ কড়া ভাষায় বক্তব্য দিয়েছিলেন।

শুক্রবার আব্দুল আউয়াল বলেন, নারায়ণগঞ্জের এক মেয়র আছে। তার একটি ছবি দেখেছিলাম তিনি নাকি মন্দিরে গিয়ে সিঁদুর লাগিয়ে পূজা করতেছে। সেই ছবিটা ভাইরাল হয়েছে। একজন মুসলমান নারী নারায়ণগঞ্জের মেয়র হিসেবে দাবী করেন। কিন্তু মন্দিরে মূর্তির সামনে নমো নমো এটা কি মুসলমান হিসেবে সহ্য করা যায়? তার অবস্থা বুঝতেছি না। মাসদাইর কবরস্থানে দীর্ঘদিন ধরে একটা মাদরাসা ছিল সেই মাদরাসাটা ভেঙ্গে দিয়েছে। মসজিদটি ভেঙ্গে দিয়ে মসজিদ করে তার মনমতো বিদআতী ঈমাম ঢুকিয়েছে। হক ঈমামকে উচ্ছেদ করেছে। বলছিল মাদরাসা নিজস্ব অর্থায়নে করে দিবে।

এখন পর্যন্ত মাদরাসা করে দেয়নি। ইদানিং খবর পাইলাম বাগে জান্নাত একটা মাদরাসা মসজিদ ভেঙ্গে দিয়ে শিশুপার্ক বানাবে। ইদানিং ডিআইটি মসজিদের সামনে শীট দিয়ে ফ্রাইওভার বানাবে। লোক এসে মাপ নিয়ে গেছে। তার টার্গেট হলো ডিআইটি মসজিদ নিয়ে যাবে। আসলে তার টার্গেট হলো আমি এখানে কেন আছি। এমনকি বলছিল এই লোকটা মসজিদের সেক্রেটারী হয় কিভাবে? তার মাথা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছে। এই মসজিদকে নিয়ে নিজের মতো করে বানাবে। আমাকে বলেছিল মসজিদটি দিয়ে দেন। আপনি মেয়র হওয়ার বহু আগে থেকে ডিআইটি মসজিদ। রেলওয়ের জায়গাগুলো নিয়ে যা মন চায় তাই করতেছেন। ডিআইটি মসজিদ আপনার সম্পত্তি নেয়ার আগে সরকারি জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin