অনলাইন ক্লাসে চিতার আক্রমণ!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনার কারণে বিভিন্ন দেশেই চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম। শহরে ভালো নেট পেলেও গ্রামাঞ্চলে রয়েছে নেট দুর্বলতা। তবে এই সমস্যার সমাধানে ভারতের দক্ষিণ গুজরাটের খাপতিয়া গ্রামের ১৯ বছর বয়সী দুই তরুণ বাড়ির বাইরে টিলার ওপরে উঠে ক্লাস করতে গিয়ে প্রাণটাই হারাতে বসেছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, দুই বন্ধুর একজন গোবিন্দ গমিত এ সময় চিতাবাঘের আক্রমণের শিকার হন। তার বাঁহাতে কামড় বসানোর পাশাপাশি পা ধরে টেনে নিয়ে যায় বাঘটি। বন্ধু গোবিন্দের এই অবস্থা দেখে বন্ধু ভাভিন গামিত গ্রামে দৌড়ে গিয়ে মানুষ ডেকে আনেন। কয়েকজন এগিয়ে আসলে বাঘটি গোবিন্দকে ফেলে পালিয়ে যায়।শিক্ষার্থী গোবিন্দ বলেন, পেছন থেকে আমার বাঁহাতে কামড় বসিয়ে দেয় চিতাবাঘটি।

তারপর টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। হাতে সাতটি সেলাই পড়েছে। আমাদের গ্রামের আশপাশে চিতাবাঘের হানা নতুন কিছু নয়। তবে মানুষের ওপর আক্রমণ তেমন একটা হয় না। আমি পেছন ফিরে চিতাবাঘটির দিকে তাকাইনি। তাহলে হয়তো সেটি আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত। আমার বন্ধুকে ইশারায় বলি, গ্রামে গিয়ে লোকজনদের ডাকতে। ও সেটাই করে। গ্রামের লোক হট্টগোল শুরু করার পর চিতাবাঘটি আমাকে ছেড়ে কাছের একটি ঝোপে লুকিয়ে পড়ে।

স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তা র্টিনা গামিত বলেন, চিতাবাঘটি ধরতে আমরা গ্রামে দুটি খাঁচা পেতেছি। এই গ্রাম বন দিয়ে ঘেরা। চিতাবাঘেরা প্রায়ই এখানে খাবারের সন্ধানে এসে লুকিয়ে থাকে।

সূত্রঃ সময় নিউজ টিভি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin